সনাতন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা কে? আমার কাছে এই প্রশ্নটির উত্তর জানতে চেয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম থেকে ‘নন্দ গোপাল সরকার’। প্রশ্নের মধ্যে যদিও প্রতিষ্ঠাতা শব্দটি আছে, কিন্ত এটা আসলে হবে প্রবর্তক; কারণ, প্রতিষ্ঠাতা থাকে কোনো ইনস্টিউট বা প্রতিষ্ঠানের, আর প্রবর্তক থাকে কোনো মত বা পথের, প্রকৃত ধর্মের এই সব কিছুই থাকে না; কারণ, প্রকৃতি যখন যা কিছু সৃষ্টি করে বা করেছে তখন তার মধ্যেই তার পরিচালনার বিধি বিধান যুক্ত করে দিয়েই সৃষ্টি করে বা করেছে, এরপর তাতে আর বাড়তি কোনো কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন হয় না। আমার এই পোস্টটি পড়তে থাকলে এই সবগুলো বিষয় আস্তে আস্তে বুঝতে পারবেন। নন্দ গোপাল সরকারের মতোই ক্লাস, সেভেন এইটে পড়ার সময় এক মুসলমানের মুখে এই প্রশ্ন শুনে আমিও নির্বাক হয়ে গিয়েছিলাম। মনে আমারও প্রশ্ন জেগেছিলো সত্যিই তো হিন্দু ধর্মের প্রবর্তক কে ? কারণ, তখন পর্যন্ত সব ধর্ম সম্পর্কে ডিটেইলস না জানলেও এটা জেনেছিলাম যে, ইসলামের প্রবর্তক হযরত মুহম্মদ, খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিষ্ট বা ঈসা নবী, বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ, তার আগের ইহুদি ধর্মের প্রবর্তক মুসা, কিন্তু হিন্দু ধর্মের প্রবর্তক কে ? এ...
মুছলিমরা যে কত আহম্মক আসুন তা যুক্তি দিয়ে জেনে নেই। মুছলিমরা কথায় কথায় বলে, শিব ৬০০০০ বিয়ে করেছে, বিভিন্ন দেবতারা দুর্গা, সরস্বতী, কালী এদের ধর্ষন করেছে। এরা এগুলোর রেফারেন্স চাইলে দিতে পারে না। যাক গে আমার কথা সেটা না। আমার কথা হলো তারা কি এসব দেবতায় বিশ্বাস করে বা এদের কর্মকান্ড? যদি করে, তবে তো ঈশ্বরের দেবতায় বিশ্বাস করা হলো, মানে ঈশ্বরের বিভিন্ন শক্তির কর্মকান্ডকে বিশ্বাস করা মানে তো ঈশ্বরেই বিশ্বাস করা। তাহলে তো আল্লার অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়, কারন এই বিশ্বজগতে সৃষ্টিকর্তা বা সর্বশক্তিমান একজনই হতে পারে, দুজন নয়। যেহুতু মুছলমানরা কোরান বিশ্বাস করে, আর কোরানে যেহুতু বলা আছে আল্লা ব্যতীত আর কেউ উপাস্য নয়, কেউ সৃষ্টিকর্তাও নয়। তা মুছলিমরা এটা মানলে তো দেবতা বা দেবতার কর্মকান্ডকে বিশ্বাস করার প্রশ্নই আসে না। কারন মুছলিমদের যুক্তি অনুযায়ী আল্ল্যা থাকলে দেবতারা থাকা সম্ভব নয়। তাহলে তাদের যুক্তি অনুযায়ী যারা নেই, তাদের নামে কুৎসা রটানো মিথ্যাচার নয় কি? এ থেকে যা বুঝা গেল......... ১) যদি দেবতাদের কর্মকান্ডকে বিশ্বাস করেন, তবে অবশ্যই ঈশ্বর আছে কিন্তু আল্লা তাল্লা নেই। ২) যদি আল্লায় বিশ্বাস...